এইমাত্র পাওয়া

  • কাপ জিতেই ছাড়ব, জন্মদিনে শপথ মেসির
  • প্রাথমিকে ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জুলাইয়ে, থাকছে ৬০% নারী কোটা
  • ঝালকাঠিতে সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন ধ্রুবতারা’র দোয়া ও ইফতার অনুষ্ঠান
  • ঝিনাইদহে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সেমিনার
  • দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে
  • ফাঁটা পায়ের যত্নে কিছু পরামর্শ !!
  • ডায়াবেটিস রোগীরা কি রোজা রাখতে পারবে?
  • ওজন কমাবে কালো জিরা
  • হলুদ দাঁতের সমস্যা সমাধান করুন নিমিষেই
  • কিশিমিশের পানি খেলে যে উপকার পাবেন
Updated

খবর লাইভ

বাসায় এলোভেরার জেল তৈরি ও ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি

14 September 2017 09:10:11 19294476 ভোট:5/5 4 Comments
Star ActiveStar ActiveStar ActiveStar ActiveStar Active
বাসায় এলোভেরার জেল তৈরি ও ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি

যা যা প্রয়োজন - এলোভেরা পাতা, ছুরি, কাঁচের পাত্র, প্লাস্টিকের ছুরি, চামচ, মিক্সি, সামান্য জল

প্রথমেই ভালো পুস্ট দেখে একটি এলোভেরা পাতা বেছে নিন। ব্যবহারের আগে ছুরিটি অবশ্যই আগে ভালো করে ধুয়ে নেবেন। অ্যালোভেরার যে অংশটি কেটে আনলেন সেই অংশটি ভালো করে ধুয়ে নিন। এবার একটি পরিষ্কার ছুরি দিয়ে অ্যালোভেরাটি মাঝ বরাবর কেটে নিন(এ ক্ষেত্রে আমি প্লাস্টিকের ছুরি ব্যবহার করি)। অথবা যে অংশটিতে কাঁটা লাগানো রয়েছে আপনি সে দিকটিও লম্বা করে কাটতে পারে। আমি আবার ঐ দিকটা কাঁটি না, কাঁটার খোঁচা যদি লাগে, সেই ভয়ে।

যাই হোক, এবার দুটি অংশকে বিভক্ত করে নিন। দেখবেন থকথকে আঠার মতো স্বচ্ছ শাঁস। এই শাঁসকেই বলা হয় জেল। আর এই জেলটাই আপনাকে বের করতে হবে। যে ছুরিটা দিয়ে অ্যালোভেরাটি কাটলেন অথবা কোন চামচ দিয়ে ঐ অংশটি টেনে বার করুন। এবার বের করে আনা জেলটি একটি কাঁচের পাত্রে রাখুন। পাত্রটি ফ্রিজে রেখে দিন। যখন প্রয়োজন পরবে ব্যবহার করুন।

এই অবস্থায় জেলটি একটু শক্ত মতো থাকে। আপনি চাইলে একে একটু লিকুইড ফর্মে রাখতে পারেন। তার জন্য আপনাকে যা করতে হবে, মিক্সিতে এই জেলটি নিন। এতে সামান্য পরিষ্কার জল দিন, চাইলে এর সঙ্গে গোপালজলও মেশাতে পারেন। এবার ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এই লিকুইড ফর্মেও ফ্রিজে রাখলে অনেক দিন ভালো থাকবে।

অ্যালোভেরার এই নির্যাসের সঙ্গে মধু মেশান এবং রোদে পোড়া ত্বকে নিয়মিত লাগান। দেখবেন জাদুর মতো কাজ করছে। চুলেও লাগাতে পারেন অ্যালোভেরার এই নির্যাস। এতে চুল পড়া অনেকাংশে কমে যায়।খুশকি কমাতেও এটি সহায়ক। অনেকে আবার হজমের বা পেটের বিভিন্ন সমস্যার জন্য অ্যালোভেরার রস পান করে থাকেন। তবে এক্ষেত্রে আমি বলবো কোন এক্সপার্টের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।

এলোভেরা জেলের ৫টি ফেস মাস্ক:

বহুকাল ধরে রূপচর্চার প্রসাধনীগুলোতে এর জেল ব্যবহৃত হয়ে আসছে। চুলের বৃদ্ধিতে শ্যাম্পু ও তেলেও এটি ব্যবহৃত হয়। তাই আসুন জেনে নেই, ঘরে বসে এলোভেরা ফেস মাস্ক ব্যাবহারে কিভাবে পাবেন সুন্দর, স্বাস্থ্যজ্জল, দাগহীন ও কোমল ত্বক।

১। উজ্জ্বল ত্বকের জন্য এলোভেরা ফেস মাস্ক: খুব সহজেই ঘরোয়া পদ্ধতিতে উজ্জ্বল ত্বক পেতে এই জেল আপনাকে সাহায্য করবে।

মধু হলুদ এলোভেরা জেল ব্যবহার বিধি: এক চিমটি হলুদের গুঁড়া ও ১ চা চামচ মধু ভাল করে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটির সাথে এলোভেরার জেল মিশিয়ে পেস্ট করে নিন। মুখে, গলায় বা হাত-পায়ে পেস্টটি লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ১-২ বার এই মাস্ক ব্যাবহারে আপনি পেতে পারেন উজ্জ্বল ও ফর্শা ত্বক।

২। দাগ দূর করতে এলোভেরা ফেস মাস্ক: দাগবিহীন নিখুঁত ত্বক পেতে বেছে নিতে পারেন এলোভেরা।

এলোভেরা জেল লেবুর রস ব্যবহার বিধি: এলোভেরার দু’পাশের কাঁটাগুলো কেটে ফেলে দিয়ে ব্লেন্ডারে পিষে নিন। তারপর একটি লেবুর সম্পূর্ণ রস বের করে এর সাথে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ফ্রিজে ১ সপ্তাহ পর্যন্ত ভাল থাকবে। মুখে, গলা, হাত বা পায়ের রঙ হালকা ও দাগ দূর করতে প্রতিদিন লাগিয়ে ১৫ মিনিট লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই মাস্কটি রোঁদে পোড়াভাবও দূর করে।

৩। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য এলোভেরা ফেস মাস্ক: অতিরিক্ত তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যা দূর করে ত্বককে কোমল, ঝকঝকে ও মসৃণ করে তুলতে এই ভেষজটি বেশ কার্যকরী।

মুলতানি মাটি এলোভেরা মধু লেবুর রস ব্যবহার বিধি: মুলতানি মাটির সাথে মধু, লেবুর রস ও এলোভেরা জেল মিশিয়ে ঘন পেস্ট বানিয়ে নিন। মুখে ও গলায় লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার মাস্কটি ব্যাবহারে মুখের তৈলাক্ত সমস্যা দূর হবে।

৪। রোঁদে পোড়াভাব কমাতে: খুব সহজেই হাত-পা, মুখ বা শরীরের যেকোনো স্থানের রোঁদে পোড়াভাব কমাতে ঘৃত কুমারী ব্যাবহার করতে পারেন।

মসুর ডালের গুঁড়া বা পেস্ট তাজা এলোভেরা কাঁচা টম্যাটো ব্যবহার বিধি: একটি কাঁচা টম্যাটোর মাঝখান থেকে শাঁসটুকু নিবেন। মসুর ডালের পাউডার বা পেস্টের সাথে এলোভেরা জেল ও টম্যাটোর শাঁস মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। মুখে, গলায় এবং হাত-পায়ে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আপনি খুবই পরিষ্কার ত্বক অনুভূত করবেন। যাদের ত্বক শুষ্ক তারা মাস্কটি ধুয়ে ফেলার পর ভেজা ত্বকেই কয়েক ফোঁটা নারিকেল তেল ও দুধের মিশ্রণ লাগিয়ে নিবেন। এতে করে ত্বক ময়েসচারাইজড থাকবে।

৫। যে কোন ধরনের ত্বকের জন্য ফেস মাস্ক: ত্বককে প্রাকৃতিক উপায়ে পরিষ্কার ও সমস্যা মুক্ত রাখতে বেছে নিন ঘৃতকুমারীকে।

শসার পেস্ট এলোভেরা জেল টক দই মধু ব্যবহার বিধি: তাজা শসার পেস্ট করে তার সাথে তাজা এলোভেরার জেল মিশিয়ে নিন। টক দই ও মধুও মিশিয়ে নিন। পরিষ্কার মুখে মাস্কটি লাগিয়ে ২০-৩০ মিনিট অপেক্ষা করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই মাস্কটির প্রতিদিনের ব্যাবহারে রোঁদে পোড়াভাব দূর হয়। ব্রণের দাগ বা দাগ হালকা করতেও এটি সাহায্য করে। এটি ত্বককে পরিষ্কার করে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে আপনাকে দিবে সমস্যা-মুক্ত ত্বক।

আপনার ত্বক এবং সমস্যা বুঝে একটি ফেস মাস্ক ব্যাবহার করা শুরু করে দিন। ঘরে বসেই নিজেকে করে তুলুন আর আকর্ষণীয় ও সুন্দর ত্বকের অধিকারী।

Loading...
advertisement
সর্বশেষ সংবাদ
এ বিভাগের সর্বশেষ